Friday, January 24, 2014

The greatest comment on my blog

I wish the person had left me a way to contact him directly. Since he has not, this is the only way I can reach out to him. It is, without a doubt, the greatest comment on my blog till date. I am writing this post with the sheer ambition of immortalising this comment. The comment will live as long as my blog will.

This is the post our hero (Ayan) had commented on. For those of you who cannot read Bengali, it was a not-too-kind obituary on the recently deceased Suchitra Sen. I had mentioned that she could not act to save her life, but had excellent a business-sense that most Bengalis lack, which was the reason behind her success.

***

Ayan took me somewhat seriously, and took the pain of going through the Myself (About Me) page in my blog. This is what he had to write as a comment on the Suchitra Sen blog post (scroll down for an English translation):

Decided to use a screenshot; what if the user deletes the comment?

Translation:

Very well-written. I visited to the "Myself" page on your blog to find out who you are. I got to know that you want to become someone like Chetan Bhagat; Durjoy Datta; Amish Tripathi; Ravinder Singh etc etc. There was more, though. For examples:
1. You want to be remembered as: an epitome of narcissism.
2. Your strength: an extensive knowledge of Uruguayan theology at the turn of the 19th century.
3. Your weakness: sense of humour.
4. Your main reason to crave for global atheism: pork biriyani.
5. You want to be reborn as: Rahul Gandhi.
6. Your favourite movie: Gunda.

Your "myself" is full of contradictions! What good will "Uruguayan theology" be to the public? You claim you're an atheist, and yet you want to be reincarnated as "Rahul Gandhi". This means that Rahul Gandhi is God for you, whose father had got involved in the Bofors scandal, whose family makes a living out of squashing the entire nation. Given that you're a fan of such a man, what would you understand of Mrs Suchitra Sen? Do you understand what a rascal means? Only Indian vodka goes inside your obese system, and it's only public "donation" that you live on. You're obtaining donations from NRIs by virtue of your pseudo-intellectual activities. You're a completely filthy antisocial, bohemian biped! Now go from "Nandan" to the zoo! Do you even know what "Narcissism" means? "Narcissism" is "An exceptional interest in and admiration for yourself" -- in other words, who doesn't understand a thing beyond himself. I'm wondering how can a believer of "narcissism" discuss a public figure. There has to be some personal profit of yours involved in this! 

There is an empty cage, "just for you". The donations will now straight go to the Government.

Friday, January 17, 2014

সুচিত্রা সেন

আমার সুচিত্রা সেনের অভিনয় জঘন্য লাগত। বেশ ন্যাকাই লাগত, ইন ফ্যাক্ট। আমি অনেককে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে উনি অভিনয় করতে পারেন না, আর প্রচুর গালাগালের সম্মুখীন হয়েছি। আজ এই পোস্টটা লিখে তো আরোই হব, কারণ সমাজের অলিখিত আইন অনুযায়ী মৃত ব্যক্তি সমালোচনার ঊর্ধ্বে।

কথা বলার টোন তো অসহ্য ছিলই, কিন্তু সবথেকে বিরক্তিকর ছিল তাকানো - বহু, বহু ওপরে কোথাও। "তুমি আমাকে ভালবাসবে না, শহীদ মিনার?" জাতীয় ব্যাপার।
কিন্তু তাহলে কীসের এত মাতামাতি? "ঐধরনের অভিনয়ই তো তখনকার দিনে চলত"টা অত্যন্ত বাজে অজুহাত। বলিউডে নূতন, টালিগঞ্জেও সাবিত্রী যথেষ্ট স্বাভাবিক, সাবলীল অভিনয় করতেন; কোনও বাড়াবাড়ি ছিল না, ন্যাকামির ছিটেফোঁটাও ছিল না, কৃত্রিমতার নামগন্ধও ছিল না। তাহলে সুচিত্রাই কেন?

কারণটা হয়ত অনেকটাই উত্তমকুমার। হিট অভিনেতা তো ("অভিনেত্রী" বললে নারীবাদীরা চাবকে আমার চামড়া তুলে দেবে) বটেই, কিন্তু সুচিত্রা সেনের জনপ্রিয়তার আসল কারণটা হয়ত হিট জুটির অংশ বলেই; ঠিক যেমন রাজ কপূরের হাত ধরে নার্গিসের কেরিয়র উৎরে গেছিল, মানবসভ্যতার ইতিহাসে বৃহত্তম নাকের ফুটো থাকা সত্ত্বেও। মজার ব্যাপার, দুজনেরই সবথেকে বিখ্যাত পারফর্মেন্স অন্য নায়কের সঙ্গে ("সাত পাকে বাঁধা", "মাদার ইন্ডিয়া"), কিন্তু দুজনেরই আসল গ্ল্যামার জুটিতে।

অবশ্যই সুচিত্রা ট্র্যাডিশনল মতে অসম্ভব সুন্দরী ছিলেন, কিন্তু সুন্দরী নায়িকার অভিনেতার অভাব তো ভারতবর্ষে হয়নি কখনও। মধুবালা থেকে মাধুরী ছেড়েই দিলাম, শর্মিলা-অপর্ণা-মৌসুমীকে সুন্দরী ভাবার মত লোকের তো অভাব নেই বাংলায়।

শোনা যায়, মৌসুমীকে একবার দেখে পাগল হয়ে রাজা (রাজু নন) মুখার্জির ক্রিকেট কেরিয়র শেষ হয়ে যায় (কেরিয়র রেকর্ড অবিশ্যি অন্য কথা বলছে); তিনি নাকি মৌসুমীর রূপে বিভোর হয়ে খেলায় মন দিতে পারতেন না। 

তাহলে ব্যাপারটা কী? কেরিয়রের শেষে বেমালুম বেপাত্তা হয়ে যাওয়া? নিজেকে ঘিরে একটা দুর্ভেদ্য রহস্যের খাসমহল সৃষ্টি করা, যা এত বছরে কেউ ভাঙতে পারেনি? এই রহস্যটাই কি তাহলে সুচিত্রা সেনকে ঘিরে এত মাতামাতির কারণ?

একটু ভাবা যাক্‌। অপর্ণাও বেশ জনপ্রিয় অভিনেতা (আবার "অভিনেত্রী" লিখতে যাচ্ছিলাম) এবং পরিচালক, কিন্তু তাঁর ব্যক্তিগত জীবন অনেকটাই হাট করে খোলা সবার কাছে। তিনি কাকে বিয়ে করেছেন, কার কার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল - এসব সবাই জানেটানে। তাই অপর্ণার উদাহরণটা বোধহয় ঠিক নয়।

শর্মিলা? মাঝেমধ্যে শর্মিলা কিছু ফ্লপ সিনেমায় অভিনয় করেন ঠিকই, কিন্তু কেরিয়র মোটামুটি শেষ। সেলিব্রিটি অধিনায়কের স্ত্রী ছিলেন, মানছি, কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি অনায়াসে লুকিয়ে থাকতে পারতেন। চাননি। শর্মিলা আসেন, এমনকি বইমেলার খোলা স্টেজে এসে সত্যজিৎ নিয়ে আলোচনা করেন, আবার তাঁর "টাইগার"কে নিয়ে সাবলীল স্মৃতিচারণাও করেন।

এটাই কি তাহলে সুচিত্রার জনপ্রিয়তার কারণ? আমাদের আগের প্রজন্মকে দেখেছি মাতামাতি করতে, বারবার বলতে "উত্তম-সুচিত্রার মত জুটি হল না" বা "সুচিত্রার মত সুন্দরী আর হল না"; দুটোই হয়ত সত্যি, তবে চট্‌ করে কাউকে "সুচিত্রার মত অভিনয় করতে আর কাউকে দেখলাম না"টা বলতে শুনিনি।

এমনকি 'হারানো সুর'এর মত বিদ্‌ঘুটে, বোরিং সিনেমাও হামলে পড়ে দেখতে দেখেছি। কিন্তু তাঁদের উন্মাদনার একটা কারণ ছিল; তাঁরা সুচিত্রার সিনেমা রিলিজ হতে দেখেছেন, তাঁরা টিকিট কেটে একের পর এক ব্লকবাস্টার দিতে সাহায্য করেছেন। তাঁদের আমলে টেলিভিশন ছিল না, অতএব সুচিত্রা সেনের দেখা মিলত একমাত্র স্ক্রিনেই (শুনেছি "উল্টোরথ" জাতীয় কিছু পত্রিকায় গসিপ্‌-টসিপ্‌ বেরোত); পর্দার নায়িকা স্বপ্নের জগতেই থেকে যেতেন।

যেহেতু এই রহস্যের ব্যাপারটা থাকতে থাকতেই মহিলা সীন থেকে হাওয়া হয়ে গেছিলেন, তাই উন্মাদনা কমল না। রক্তমাংসের মানুষ নয়, সুচিত্রা নায়িকা হয়েই রয়ে গেলেন; অত্যন্ত সাধারণ মানের অভিনেত্রী, কিন্তু স্টারডম ব্যাপারটা সবার থেকে বেশি বুঝতেন।

যেমন বুঝেছিলেন দিলীপকুমার, আর তাই কখনও ছোটপর্দায় আসেননি। সোফায় বসে চায়ের কাপ হাতে আড্ডা দিতে দিতে কেউ তাঁকে দেখবে, আর অপছন্দ হলেই চ্যানেল ঘুরিয়ে দেবেন, এই ব্যাপারটাই তাঁর না-পসন্দ্‌। তিনি দিলীপকুমার, একটা সময় গোটা ইন্ডাস্ট্রিতে রাজত্ব করেছেন, এত সহজলভ্য হয়ে যাবেন?

কিন্তু অমিতাভ বচ্চন? তিনি তো আরও বড় স্টার! ছোটপর্দার হাত ধরেই ফিরে এলেন বড়পর্দায়, আর আগের মতই রাজত্ব করে চলেছেন। সময়ের সঙ্গে, বয়সোপযোগী রোলে অভিনয় করলেন; অনায়াসে মেনে নিলেন যে তিনি আর মেগাস্টার নন। কবে গাছের সঙ্গে মাঙ্গলিক পুত্রবধূর বিয়ে দিচ্ছেন, কবে নাতনি হল, সবাই সব জানে, আর টুইটার আসার পর তো সব হাট!

কিন্তু তিনি যে অমিতাভ! মানিয়ে নিতে সময় লেগেছে বরাবর, কিন্তু যে পরিস্থিতিই আসুক, তিনি এত বড় অভিনেতা যে কোনও চ্যালেঞ্জই চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠেনি তাঁর কাছে। নায়ক হওয়ার বয়স চলে গেছে - এটা বুঝতে তাঁর সময় লেগেছে; কিন্তু একবার বুঝে ওঠার পর তিনি আবার দিব্যি নিজের সিংহাসনে বিরাজমান।

সুচিত্রা সেনদের কাছে আসলে রহস্যটাই এক্স-ফ্যাক্টর। তিনি জানতেন, কেরিয়রের শিখরে থাকতে থাকতেই তাঁকে সরে যেতে হবে, একবার বয়সের ছাপ পড়লে ঘুরেও তাকাবে না কেউ। তাঁর অভিনয়ক্ষমতা সীমিত, অতএব গ্ল্যামর আর উত্তমকুমার চলে গেলে তাঁর দশাও দেব আনন্দের মতই হবে।

আর এখানেই সুচিত্রার স্টারডমের রহস্য। তিনি চিরযৌবনা, চিরসুন্দরী হয়ে রয়ে গেলেন, আর সেভাবেই লোকচক্ষুর আড়ালে থেকেই চলে গেলেন। অভিনয় ব্যাপারটা বিশেষ না বুঝলেও সেল্‌স্‌ রীতিমত বুঝতেন। 

"মহানায়িকা" কথাটা হয়ত ঠিক, কিন্তু তার আসল চাবিকাঠি হল তুখোড় ব্যবসাবুদ্ধি, যার ছিটেফোঁটাও টালিগঞ্জে কারুর হয়নি। আর এখানে ব্যবসাবুদ্ধির মানে অর্থোপার্জন নয়, এক্কেবারে আজীবন এবং মরণোত্তর গ্ল্যামরোপার্জন। তাইই বা কম কী?

আর তাই - তাইই হয়ত - তাঁকে কেউ টাচ্‌ করতে পারল না। এখন তো আরোই পারবে না।

আর আই পি।

Saturday, January 11, 2014

কী মিষ্টি বুনিপ্‌ গো!

অনেক স্পয়লর আছে কিন্তু!

***

DISCLAIMER
ALL ANIMALS USED IN THE MOVIE WERE SHOT IN SOUTH AFRICA. NO ANIMALS WERE HARMED DURING THE PRODUCTION OF THE MOVIE.

ডিস্‌ক্লেমর দেখে হাসলে হবে? এটা কমলেশ্বরবাবুর সেন্স অফ্‌ হিউমর। হেবি দিয়েছেন, আমার তো হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে গেল।

BASED ON A STORY BY BIBHUTIBHUSHAN BANDYOPADHYAY

ভাগ্যিস্‌ বলেননি কোন্‌ গল্প। "আদর্শ হিন্দু হোটেল" থেকে হলেও হতে পারে। "চাঁদের পাহাড়" থেকে নিশ্চিতভাবেই নয়।

***

সে যাক্‌; শুরুটা হেব্বি জমাটি। এদিকে একটা হাতি, ওদিকে চারটে, ওপর থেকে ফাঁদ নামছে, শঙ্করের বন্দুক পড়ে গেল, টুপি পড়ে গেল, যেই ভাবছি এবার স্ট্রিপটীজ শুরু হবে অমনি শঙ্করও পড়ে গেল, আর শঙ্করের ঘুমও ভেঙে গেল। সে এক হৈ হৈ রৈ রৈ ব্যাপার।

ও মা, তারপরেই দেখি শঙ্কর সাঁতার কাটছে, বক্সিং অপোনেন্টকে চুমু খাচ্ছে, একটা ফোক সংও দেখলাম ঢুকিয়ে দিল টুক্‌ করে। তারপরেই ধাঁ করে অ্যাফ্রিকা!

সে একশো বছর আগেকার কথা, কি তারও একটু বেশি। তখন অ্যাফ্রিকা ভারি মজার জায়গা। সবাই ইংরিজি বলে (সে মাসাই হোক্‌ বা জুলু, যদিও কোনওভাবেই তাদের তখন ইংরিজি বলার কথা নয়), আর প্যাটেল হোক্‌ বা আপ্পা, ককেশীয় হোক্‌ বা মাসাই, সব্বাই বাংলা বলতে পারে। যে যে ভাষায় পারে কথা বলে আর অন্যের ভাষা টুক্‌টাক্‌ বুঝে নেয়। 

কিন্তু কমলবাবু বলে কথা, এইসব কোনও সমস্যাই নয়। শঙ্কর দিব্যি "হে, ম্যান!" বা "ড্যাম!" বলতে পারে, কিন্তু সল্‌স্‌বেরিটা সিনেমায় কেউই বলে উঠতে পারে না - হয় সালিসবেরি, নয় স্যালিসবেরি। ভারি মজার ব্যাপার, না? মাসাইরা যে কুমিরকে "ক্রক্‌" বলে সে প্রসঙ্গে আর নাই বা গেলাম!

সে যাক্‌, সিনেমায় ফিরি। সে কী রোমহর্ষক সিনেমা! কোথায় বিভূতিভূষণের সেই চেনা শঙ্কর আর তার বাঙালিসুলভ ভয়! কোথায় সেই রুদ্ধশ্বাসে পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে নিজেই শঙ্কর হয়ে ওঠা! কোথায় সিংহ বা সাপ বা বুনিপের ভয়ে হাড় হিম হয়ে যাওয়া!

শঙ্কর এখানে জাস্ট ঘ্যাম - সাপ সিংহ বুনিপ্‌ সবাইকে কেলিয়ে পাট করে দিচ্ছে। কোথায় লাগে ক্রিশ? কোথায় লাগে ধূম - থ্রী? শঙ্কর এখানে একাই একশো! সেদিক থেকে দেখতে গেলে এটা টালিগঞ্জের প্রথম সুপারহিরো সিনেমা।

সে যাক্‌, শঙ্কর তো দিব্যি থাকে, একা একটা ঘরে। তার টেবিলে একটা বাটিতে তিনটে সবুজ আপেল সাজানো থাকে। একশো বছর আগের কথা, ঠা ঠা গরমে নির্জন প্রান্তরে নিশ্চয়ই আপেলের চাষ হত সাংঘাতিক। আর সে আপেল মারাত্মক - ঐ গরমেও ফ্রিজ ছাড়া দিব্যি থেকে যায়, কিস্যু হয় না। হবে কীভাবে? এ কি আর আমাদের আপেল? এ হল কমলবাবুদের আপেল!

তারপর তো একদিন শঙ্করের ঘোড়া দৌড় দিয়েছে, আর শঙ্কর পিছু নিয়েছে। সে কী দৌড়! ঘোড়া ছুটছে, শঙ্কর ছুটছে। ঘোড়া ছুটছে, শঙ্কর ছুটছে। তারপর শঙ্কর একসময় ঘোড়াকে ধরেও ফেলল, এক লাফে ঘোড়ার পিঠে চেপেও বসল, কিন্তু জালি, স্বার্থপর ঘোড়া তাকে দিল পিঠ থেকে ফেলে। খোঁড়াতে খোঁড়াতে শঙ্কর যেই এগোবে, অমনি সিংহ।

খোঁড়া হলে কী হবে, শঙ্করের বুদ্ধি কম? অমনি দিয়েছে সিংহ তাক করে লণ্ঠন ছুঁড়ে।তারপর শুরু হল খোঁড়া পা নিয়ে দৌড় - শঙ্কর জিতবে না সিংহ? সিংহ, না শঙ্কর?  সিংহ ছুটছে, শঙ্কর ছুটছে। সিংহ ছুটছে, শঙ্কর ছুটছে। দৌড় দৌড় দৌড় দৌড়... শঙ্কর এসে ঢুকে পড়ল নিজের ঘরে। খোঁড়া শঙ্করের সঙ্গে কখনও সিংহ পেরে ওঠে?

পরেরদিন সকালে এসে ঘরে ঢুকলেন রেলের গার্ড মর্গ্যান ফ্রীম্যান। না, মানে, ওঁর মত দেখতে কিনা, তাই ভেবে বসেছিলাম, তবে নিখুঁত বাঙালি উচ্চারণে "শঙ্কর" শুনে বুঝলাম, যে না, ইনি ফ্রীম্যান নন্‌। এমনকী ম্যান্ডেলাও নন।

তারপর তো সব চুকেবুকে গেছে, তিরুমল আপ্পাও মরে হেজে গেছে, এমন সময় দেখা দিল দিয়েগো অ্যালভারেজ। ও মা, অ্যালভারেজ তো আমাদের চুঁচ্‌ড়োর লোক! তাই অমন বাংলা বলে! বাঃ, দারুণ তো!

তারপর শঙ্কর আর অ্যালভারেজ তো বুক বেঁধে বেরিয়ে পড়েছে। সিনেমা পুরো জমে ক্ষীর, এমন সময় বুনিপ্‌ দেখা দিল। পরেরদিন সকালে উঠে ওরা দেখে বুনিপের পায়ের ছাপ। ওমা, সারারাত বৃষ্টি নেই, কোথাও জলের চিহ্ন নেই, স্রেফ বুনিপের পায়ের ছাপে জল জমে। অতবড় জন্তু হলে কী হবে? ওর পা বোধহয় স্পঞ্জের!

তারপর গুহার সামনে দেখি, এ কী, সত্যিকারের বুনিপ্‌। সে কী মিষ্টি বুনিপ্‌, দেখলেই মনে হয় পুষি! বেশ বুনিপ্‌ চড়ে রাস্তা দিয়ে যাব, মেয়েরা ঘুরে ঘুরে তাকাবে, ছেলেরা হিংসেয় জ্বলেপুড়ে খাক্‌ হয়ে যাবে, এইসব ভাবতে ভাবতে দেখি অ্যালভারেজটা মরেই গেল।

[বিভূতিভূষণের বুনিপ্‌টা ভারি জোলো ছিল। শুধু যে গল্পে তাকে দেখানো হয়নি তাইই নয়, বর্ণনাও নেহাৎই সাদামাটা: "I am inclined to believe that the monster you saw was nothing more than a species of anthropoid ape, closely related to the gorilla, but much bigger in size and more savage than the specimen found in the Ruwenzori and Virunga Mountains." কমলবাবু জিন্দাবাদ।]

কমলবাবু ভারি হুঁশিয়ার। হলিউড-বলিউড সব সিনেমায় কাউকে কবর দেওয়া হলেই বৃষ্টি পড়ে, তাহলে টলিউডই বা পিছিয়ে থাকে কেন? শঙ্কর গাঁতিয়ে কবর খোঁড়া শুরু করতেই ঝম্‌ঝমিয়ে বৃষ্টি নামল, আর দেবের ভিজে জামা দেখে বাচ্চা-বাচ্চা মেয়েগুলো আহা-উহু করতে লাগল। ওদেরও তো পয়সা উসুল করতে হবে, না কী?

কিন্তু অ্যালভারেজ মরে গিয়ে হল মহা সমস্যা: শঙ্করের দাড়ি কামাবে কে? শঙ্কর তো আর নিজে কামাতে পারে না, তাই অ্যালভারেজ মারা যাওয়ার পরেই হু-হু করে দাড়ি হতে লাগল। এইবারে শঙ্কর রীতিমত হাঙ্ক্‌ হয়ে উঠল। হলে যে মেয়েগুলো বোর্‌ হয়ে গ্যাঁজাচ্ছিল তারা এবার নড়েচড়ে বসল।

আত্তিলিও গাত্তির সমাধিটাও ব্যাপক জমেছিল। বেশ একটা আলো-ঝল্‌মলে পরিবেশ, গোল করে অনেক মশাল-টশাল জ্বলছে দেখেই একটা বেশ শিহরণ জেগে উঠেছিল। আর তারপরই দেব সব হারানো শক্তি ফিরে পেল। আত্তিলিও গাত্তিকেই বোধহয় ইংরিজিতে রেড বুল বলে।

ওমা, আবার দেখি বুনিপ্‌টা আবার এসেছে! খট্‌খটে শুকনো জঙ্গল, কিন্তু পায়ের ছাপে জল জ্বল্‌জ্বল্‌ করছে! শঙ্কর কিন্তু এইবারে তৈরি। কাঠের খাঁচা বানিয়ে পায়ে দড়ি বেঁধে সেই দড়ি কেটে উল্টে ঝুলে ঘুরে বুনিপ্‌কে খাঁচাবন্দী করে গুলি করে মোগলাই পরোটা আর কষা মাংস খেতে খেতে মেরেই ফেলল বুনিপ্‌টাকে। সলিড রগড় হল কিন্তু!

তারপর শুরু হল কালাহারির কেলো। কিন্তু এখন থাক্‌ সেসব কথা, নিচে বলছি।

***

এর মানে এই নয় যে "চাঁদের পাহাড়" ঝুল সিনেমা। আমার জায়গায় জায়গায় হাসি পেয়েছে, কিন্তু বাংলা অ্যাডভেঞ্চর সিনেমার এত অভাব যে নেহাৎ মন্দ লাগেনি। চিত্রনাট্য মাঝেমধ্যে দুর্বল, কিন্তু ক্যামেরার কাজ নিয়ে বিন্দুমাত্রও অভিযোগ নেই। ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতের দৃশ্য অনেকদিন মনে থাকবে।

কম্পিউটর গ্রাফিক্সও বিশেষ সুবিধের নয়। বুনিপের কথা আগেই বলেছি, আর আগ্নেয়গিরি বা ব্ল্যাক মাম্বা দেখেও হাসিই পেয়েছে। তবে ঐ, হলিউডের প্রযুক্তির সঙ্গে তুলনা করতে যাওয়াটা বোকামির পর্যায়েই পড়ে। বাংলা সিনেমায় এই মানের গ্রাফিক্স বিশেষ দেখিনি বললেই চলে।

সিনেমায় আর যাই দুর্বলতা থাকুক্‌ না কেন, দেবকে দিব্যি মানিয়েছে। কমলবাবু শঙ্করকে আদৌ বোঝেননি, কিন্তু উনি যা চিত্রনাট্য লিখেছেন সেই অনুযায়ী দেবের থেকে যথাযথ শঙ্কর পাওয়া বেশ মুশকিল হত, অন্ততঃ টালিগঞ্জে।

কয়েকটা দৃশ্যে দেবকে রীতিমত ভাল লেগেছে, বিশেষতঃ তিরুমল আপ্পা মারা যাওয়ার পর শিকারের সিকোয়েন্সে, কালাহারির মেক-আপে আর একদম শেষে গোঁফ নিয়ে। নিঃসন্দেহে দেবের জীবনের সেরা পার্ফরমেন্স। দেব শঙ্কর নয়, তবে এই রোলে দুর্দান্ত মানিয়েছে।

মেক-আপ বলতে মনে পড়ল, এত ভাল মেক-আপ বাংলা সিনেমায় সম্ভবতঃ এর আগে দেখিনি। ভারতীয় সিনেমাতেও খুবই কম দেখেছি। "চাঁদের পাহাড়"এর স্টার বলে যদি কেউ থেকে থাকে, তবে সে মেক্‌-আপ আর্টিস্ট (নাম সোমনাথ, যদ্দূর জানি)।

কয়েকটা দৃশ্য চোখে লেগে থাকবে - বিশেষতঃ কালাহারি-পর্ব শুরু হওয়ার পর থেকে বা গুহার মধ্যে; হাতি ঘোড়া সিংহ লেপার্ড হায়না সবই আছে; সেদিক থেকে দেখতে গেলে সিনেমাটা নিতান্তই ওয়্যাক্‌-থু নয়, বিশেষতঃ বাচ্চাদের কাছে।

***

পুনশ্চ -
কমলকাকু, বুনিপ্‌টা কী মিষ্টি! আমাকে একটা কিনে দেবে, গো?

Thursday, January 9, 2014

The final ball

Cross-posted at CricketCountry.

***

It had all come down to the last ball: India needed nothing short of a hit that would clear the ropes at the New Wanderers to win the match; AN Jha, their new replacement, had been roped in at the last moment: he could neither bat nor bowl nor field, but it had been rumoured that he had the ability to cause miracles with his blessings.

He had not bowled, and MS Dhoni had to place a fielder behind him when he strolled at mid-off; surprisingly, however, the sheer captivating aura of the man had prevented the South Africans from scoring quick runs. He took the ground barefoot and never chased a ball: he simply prayed.

The genius of young Quinton de Kock, the perseverance of Hashim Amla, the destructive ruthlessness of AB de Villiers or the adaptive improvisations of Faf du Plessis did not come handy; only Jacques Kallis, with his immense display of respect for the oldest cricketer on the ground, had managed a sedate 93 not out as the hosts had managed to reach 221 for six.

At 56-and-a-half Jha was easily the oldest international cricketer the world has seen across formats: he had not expected a call-up even an hour before the match; Dhoni, however, got to know that Jha was in town, and had specifically asked him to turn up for the match despite Duncan Fletcher’s vehement arguments. Emergency arrangements were to get a new jersey made, and it was well after toss that Jha had got ready to play.

It had, however, come down to the last ball. After a frugal vegetarian meal during the innings break Jha had meditated for almost the entirety of the Indian innings, only to be woken up by a surprisingly sombre Virat Kohli at the fall of the seventh wicket. His teammates helped him with his gear just in time as Mohammad Shami, the ninth man out, had started his long walk back to the pavilion.

Jha had his gloves and pads strapped on, but had once again refused to put the boots on. His teammates insisted, and even Fletcher’s expressionless face had a concerned expression. Jha had given in, and just as he walked out to bat, a cohort of young couples from the crowd rushed at him and touched his feet.

“After the match,” said Jha.

“It’s almost time, jee; we do not have more than ten minutes,” uttered a helpless voice from the couples.

“Do not worry,” said Jha in a tone that oozed of such reassurance that the couples smiled and waited outside the ground in eager anticipation.

Jha had one look at the pavilion, and then, with the wisest of smiles, took his shoes off just outside the ropes as he strode inside. Nobody, not even Dhoni, could hide their surprise at this little event. “The man considers the ground as holy as a temple,” echoed Rahul Dravid’s awestruck voice on air, interrupting Ravi Shastri’s “the match has gone down to the wire now.”

Jha approached the crease at a speed inversely proportional to that of a tracer bullet: a confused de Villiers had tried to appeal for timed out, but kept quiet when he saw the umpires approach Jha and ask for his blessings. The aura was so encompassing that the entire South African team – even Dale Steyn, who was on a hat-trick – followed suit. Even The Reverend David Sheppard had not been able to invoke such respect from his opposition.

Jha looked at the fielders. “How can I defeat these men? They are all my children. We’re one big family.”

Richard Illingworth walked up to Jha. “Sir, I know what you are thinking; however, the match must go on for the sake of the thousands that have come to the field today.” Adrian Holdstock, who had just joined the conversation from square-leg, nodded in acknowledgement.

“Then so bit,” thought Jha. “The couples are also waiting.”

And so Steyn bowled. “A slow, very slow, juicy full-toss, waiting to be hit,” screamed Shastri; and the batsman hit it. The ball soared over the spectators – straight into the Johannesburg Melrose Shree Siva Subramaniar Temple, rung the bell hard, and flew back smeared in turmeric and sandalwood-paste.

The spectators waited in bated breath as the ball flew back to the couples waiting eagerly. The crowd cheered in unison as the ball brushed the hair of each of the girls gently before returning to the turf. Both teams and umpires joined in the applause: Alok Nath Jha had managed to win the match and do the kanyadaan (albeit in an unprecedented non-trivial fashion) in one stroke.

On his way back to the pavilion Alok Nath blessed the newly married couples with the aashirvaad they were eagerly waiting for. Overwhelmed by the moment, an uncharacteristically subdued Shastri admitted: “I remember when he had performed the kanyadaan at my wedding years back.” “Mine too,” nodded Dravid.

***

After the awards ceremony was over Dhoni found the other unbeaten batsman taking his pads off.

“What was it like?” asked the Indian captain.

“Oh, a lifetime experience.”

“I have a question, though. I have never seen this brawny side of Babuji. He usually showers everyone with his blessings; I thought he would do something that would make the South Africans happy as well. Maybe run a five or something to tie the match. Why did he go for the six? And even if he did, how did he hit it so brutally?”

Taking off his second pad, Ravindra Jadeja winked back.

Tuesday, January 7, 2014

Cat

Winter nights are super-cool. Literally.

Being a very summer person I seldom care for a weather that involves layers of woollens. Trust me, it's close to snowing this year in Kolkata. I know it shows 13°C on the news channels, but that is obviously to stop people from panicking. Remember how they played music when Titanic was sinking?

Tonight, of course, is different. I was taking a stroll on the balcony and talking to a friend on my Nokia E63 (which, as we all know, is the greatest cellular telephone model ever invented. In fact, it was so great that they only sold a limited edition before Risto Siilasmaa had decided to call production a halt).

The conversation ended in the vaguest possible way, making me stare into the sinister darkness of the night sky. Kolkata usually looks extremely pretty when the internet is down, but tonight I could appreciate her though Om-Dar-Ba-Dar (don’t ask!) was being downloaded at a breakneck speed on my laptop.

Then I noticed the cat.

Note how I have itialicised the word ‘the’ in the paragraph above. I guess it would have been a better idea to do away with the italics completely and use a capital C for cat. This means that “the cat” will be replaced by “Cat” throughout the rest of this post. If I use a small c it would imply that I am talking of another cat. If the word appears at the beginning of a sentence use your own judgement.

Cat has been irritating me for the past few days, and that is an understatement. I usually do not mind if Cat turns up in unlocked rooms and darts past me when I enter. I’m not sure who owns Cat, but I guess Cat thinks it owns our place and is quite confident about it.

I do, however, mind when the black-and-white pest (this is not a zebra or a panda that I’m talking about) thinks 2.45 AM is the perfect time to rehearse something in impeccable feline. You can almost set the clock by its accurate sense of timing.

But why 2.45 AM? Why this specific unearthly hour, night after night? Mind you, this was not the usual meow or purr: this was a kind of frantic mating call – only without a mate. The call was really too hideous to be classified as a mating call: it can arouse a set of fingernails working on a blackboard, but that was about it.

I had once struck upon the theory that Cat works in the cat community as a manual (do cats use the word ‘manual’?) alarm clock. I have often left my desk to watch Cat intently, only to find him go on cawing nonchalantly, completely ignoring me.

Slowly but steadily I realised it was out to settle some kind of personal vendetta against me. I was reminded of Birds: I probed into my past, looking for any anti-feline activity that might have triggered the feelings but could not find any.

Finally I was convinced that I was not the guilty party: Cat was. It was one of those cat-demons that you should have come across in fairytales but never have – for the simple reason that these little menaces had bullied Andersen and The Brothers Grimm into writing otherwise.

Cats have nine lives, I have read. Cat cannot be an exception. Cat is, after all, a cat. I have one. 1:8 definitely sounded better than 1:9 from my point of view.

I had noticed Cat from above. It was on an asbestos terrace of sorts; I was on the balcony above. It was an easy victim: all I needed to do was just go to the bathroom, fill a mug with ice-cold water, and empty the entire thing on the demon. Of course, emptying an entire bucket would have been a better idea, but I wasn’t really sure whether the asbestos terrace would be able to withstand the weight of the water.

Then I noticed something: Cat seemed to be out on a mission. It leapt on the wall separating our house from the neighbours; then, for whatever reason, it started to walk on the wall (taking breaks for barriers) and circumscribed the entire house to came back to rest on the asbestos terrace just below where I was standing.

Why would any creature do something like that? Bothering the demon with water can wait, but what nuisance is this? Even if it was working as a spy, who was its recruiter? How was circumnavigation going to help the recruiter? And what was the fixation with asbestos?

I took out my E63 and Googled with asbestos + cat. Overexposure to asbestos apparently leads to cats being infected by mesothelioma, which is actually a rare kind of lung cancer that is triggered by, well, overexposure to asbestos.

Now I started to get a bit concerned about Cat: should I actually scare it off the asbestos by emptying a container of freezing water on it? On the other hand, what if the sudden encounter with water went on to leave a deep, incurable psychological scar on Cat?

While all these were going through my mind, Cat started its regulation stroll – only in the exact opposite direction: this time he was going anticlockwise. He took the exact opposite route along the wall and eventually came back and ended up on the asbestos terrace.

Then Cat started clockwise; then anticlockwise; clockwise again; back to anticlockwise; this way; that way; asbestos terrace; otherwise; at the same pace; never missing a single step on the entire route; never putting a foot out of line; just going on and on and on.

I took out my E63. 2.40 AM, it said. Do I check Facebook quickly to find out how many Likes my new witty update had received? Or should I resist and patiently wait for Cat to shriek in five more minutes? What should I do?

Curiosity didn’t really kill me, but it did me hooked. This has to be the last round, I told myself. Cat has to end up on the asbestos terrace once it was through with this round.

Cat did not turn up.

2.41. Still no sign of Cat.

2.42. Nope.

Where has the bugger disappeared?

Still no Cat. I leaned over the cornice to have a better look. Then I remembered that my E63 was equipped with a flashlight – and saw something moving very, very vaguely on the asbestos.

I leaned further. It did not help.

I went on my toes to have a closer look.

Time had come for drastic action.

I pulled a chair next to the cornice and leaned over; I knew that I was about to take a serious risk, but it was probably worth it.

I leaned further; and further; and further; till...

The last thing I heard before the fall was the sound of my door opening.

This is funny. It did not hurt.

Of course, I had landed on my limbs: all four of them. So it wasn’t supposed to hurt, I suppose.

Something is different, though.

something major has changed and i cannot fathom what

now that i have arrived on this gray thing after the usual fifty rounds of this brick house at the same time just to give creeps to the hehuman inside the room i can see him coming out of the room only that he is looking at me in a confused state it seems that he is not carrying any fish or milk or anything yummy even today but still i get a kick out of giving him the creeps look at the moron he was perhaps sitting in front of that black toy and making that khat khat sound with his fingers humans are kind of funny in that way they sleep at night but this hehuman stays up but doesnt look for shehumans or fish or milk or mice but does this khat khat i think he may be mad but he looks all normal i wish he would call me inside this night is after all very cold but the hehuman is too selfish i will throw dead mice on him some day

Wednesday, January 1, 2014

More of that girl

Remember this girl I keep on talking about every now and then? The other day we had a conversation of sorts:

Daughter: Baba, living beings reproduce, right?
Father: Yeah, they do.
Daughter: Do all living beings reproduce?
Father: No, not all. They can reproduce. But the converse holds. Non-living beings do not reproduce.
Daughter: Did you reproduce?
Father: Yes, I did.
Daughter (surprised by this new revelation): Really? And where's your baby?
Father (seriously taken aback): Erm, don't you know?
Daughter: No. I don't. How did you reproduce? And who is the baby?
Father: We will discuss this.
Daughter: Discuss what? I thought only women can reproduce. How can males reproduce? I think you're lying.
Father: No, see, males also reproduce.
Daughter: Okay, fine. You've reproduced. Happy now?
Father: What? I'm not lying! I'm just tired!
Daughter: Tired of what? Reproducing? (smirks)

***

The girl places RaHole (he still exists) on her head and asks The Father: "Do I look like Tut?" (pronounced like hoot).
Father: What's a tut?
Daughter: Tutankhamun. Haven't you heard of him?
Father: Right. My apologies.

***

Daughter: AG (a female friend) probably has a crush on AC (a male friend).
Father: Are you sure of this?
Daughter: Yes. She keeps on telling me about this.
Father: What do you feel about all this?
Daughter: I usually get bored.
Father: But isn't she your best friend?
Daughter: Yes, I love her very much.
Father: Why do you get bored, in that case?
Daughter: I think this entire concept of romance is boring, unproductive, and overhyped.
Father: What do you find interesting, then?
Daughter: Doraemon.

*** 

Daughter: You know what I did to AG?
Father: What?
Daughter (confidently): I went one-up on her.
Father: Would you explain?
Daughter: Yes. Let me tell you.
          AG: So I watched this movie...
          Daughter: Did you like it?
          AG: Oh yes! I loved it!
          Daughter: Did I like it?
          AG: Of course! Hang on, what did you ask?
That killer smile.

***

Daughter: Is it necessary that every child comes from the hospital to the house where the parents stay?
Father (in-a-this-cannot-lead-to-anything-good-tone): Yes, why?
Daughter: I guess I can keep my son or daughter, then.
Father: I thought you had decided not to marry.
Daughter: I will get a baby done anyway. Without marriage.
Father (slightly tense): Are you sure you can do that?
Daughter: Yes. I have already discussed this with my classmates in details.

Followers