A woman with the potential to make it big. It is not that she cannot: she simply will not.
The closest anyone has come to being an adopted daughter.

Wednesday, September 27, 2017

Was this Pujo or not?

Durga Pujo has died for me. Like all old men, all I live by are memories of Kolkata’s grandest festival. Pujo in Kolkata used to reek of polyester, sweat, and chilli sauce. These have been replaced by expensive polyester, failed deodorants, and chilli sauce bought from Big Bazaar.

This might come as a surprise to most, but even I used to be young at some point. I used to like the concept of Pujo at that time. We used to go to nearby Maddox Square. The chairs we acquired were significantly inadequate, so we used to seat ourselves in a substantial circle on the anticipatory newspapers. The chairs were given away to the parents who arrived late.

The evenings used to pass quickly. Was I happier at that point of my life than what I am now? I do not know.

Do I miss Durga Pujo? Not quite. I have deliberately stayed away from the city for four years at a stretch. It may have to do with my age, but struggling for hours to find a place to stand is definitely not my idea of fun anymore.

Being surrounded by cell-phones masquerading as periscopes as they approach pandals adds to that. Perhaps other quadragenarians find the idea attractive.

Today, Shoptomi, was thus just another day for me. I boarded a late-morning train from Vikhroli to Currey Road (update: I have downgraded my location from Navi Mumbai to Mumbai).

The train was empty enough for me to find a seat at Vikhroli. If you know what I am talking about, you might have let out a shriek; if you do not know, you are better off in life.

The train passed Kurla. Thanks to my new location, I do not have to participate in the Battle of Kurla anymore. Instead, I derive sadistic pleasure from watching others do the same from my vantage point inside the train.

A group of schoolchildren boarded the train at Sion. The incredibly discounted student passes invariably result in a high percentage of grateful students in the first-class compartments, and today was no exception.

Today’s batch consisted entirely of pre-teens who would, in three decades’ time, turn into brooding quadragenarians. All of them were donning dusty schoolbags and bright smiles. I could not help but wonder how much salt their toothpaste contains*.

* This is a lame joke and a blatant lie.

The children stood next to the open doors, all of them. It was obviously risky, but at their age even I was not aware of the concepts of fear unless my parents threatened me with kidnappers carrying humongous gunny-bags.

The man opposite me was not too happy about this. He was probably in his high fifties. His hair, though completely white, did not seem headed for premature disappearance anytime soon.

He yelled at the children, asking them to move away from the doors. The children, though taken aback, hesitated. A second shout did the trick. They feebly uttered something on the lines of getting down at Matunga (the next station) before retiring to their seats.

His job done, the man returned to his newspaper. Our eyes met. Instinctively, for no known reason, I did something uncharacteristic of me: I nodded, smiled, uttering “baraabar”.

But then, Pujo is about doing things you don’t do every day. Was this my Pujo? I have no idea. Probably. Probably not.

But I did reach work in a good mood. I even remembered to thank the liftman.

Tuesday, September 19, 2017

মহালয়া: অকপট স্বীকারোক্তি

চল্লিশ বছর বয়স হল।

বাজে, মিথ্যে ইমেজ বানিয়ে চলারও প্রায় সাঁইত্রিশ-আটত্রিশ বছর হল বৈকি।

ঠিক করেছি এবার ঢপ্‌বাজি বন্ধ করে কয়েকটা টুকটাক স্বীকারোক্তি করব। এটা প্রথম। গ্যারান্টি দিচ্ছি না আরও থাকবে, কিন্তু এটা থাকবেই।

মহালয়া নিয়ে ন্যাকাপনা আমি ছোটবেলা থেকে করে এসেছি। ভোর চারটের সময় অ্যালার্ম দিয়ে উঠেছি। প্রচুর লোককে বলেছি আমার দারুণ ভাল লাগে, গায়ে কাঁটা দেয়, নিজেকে বাঙালি মনে হয়, দেবীপক্ষ নিয়ে একটা বেশ শিহরণ জাগে এটসেট্রা এটসেট্রা। 

যারা ওঠেনি তাদের নির্লজ্জের মত হ্যাটা করেছি “বাঙালি হওয়ার যোগ্যতা নেই, নাকউঁচু, ট্যাঁশ” ইত্যাদি বলে।

আসলে হিপোক্রিসি করেছি, কারণ আমার মহালয়া শুনতে রীতিমত খারাপ লাগত। বরাবর।

মাইরি বলছি, বছরের পর বছর ভোর চারটের সময় উঠছি, আর কোনওবার সোয়া চারটে অবধি টানতে পারিনি। ঐ আলোর বেণুটেনু দুয়েকটা কোট করতে শিখে গেছিলাম, কিন্তু ঐটুকুই।

আমি নিশাচর প্রাণী, ভাবতাম ভোরে উঠতে কষ্ট হয় বলে হয়ত মহালয়া শোনার বিশেষ প্রভাব পড়েনি।

কিন্তু তারপর দুটো কেস স্টাডি করলাম, তাও কয়েক বছর ধরে।

১) ভোরে উঠে কোনওকিছু শুনলে কি আদৌ আমার গায়ে কাঁটা দেয়? নাকি ঘুম ব্যাপারটা এতটাই শক্তিশালী যে কোনওকিছুই বিরিয়ানি মনে হয় না?

উত্তর। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের গলা শুনে আজ অবধি গায়ে কাঁটা দেয়নি। কিন্তু তার মাস দু’তিন পর দিত, ভোরে, রিচি বেনোর গলা শুনে, তাও অনেক পরে। তদ্দিনে মহালয়ার ঢপ্‌টা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।

বেনোও গেছেন। ভোরও গেছে।

২) মহালয়া কি দিনের অন্য সময়ে শুনলে গায়ে কাঁটা দেবে?

উত্তর। এমপিথ্রির আমলে চেষ্টা করেছি। না বস্‌। আমার জন্য নয়। ঐ আলোর বেণু অবধিই টানা মুশকিল হচ্ছিল।

আমার জন্য মহালয়া নয়। তাই এবার থেকে আর শুনছি না।

কী করব, ভেতর থেকে তাগিদটাই এল না যে!

আপনারা যারা শোনেন, ভালবাসেন, শুনতে ও বাসতে থাকুন, প্লিজ। বাংলা ও বাঙালির ভবিষ্যৎ আপনাদের হাতে। আমার দ্বারা আর হবে না।

হিপোক্রিসি করতে করতে আসলে বড্ড হাঁপিয়ে গেছি।