Sunday, May 8, 2011

ঘ্যাম লোকেদের ঘ্যাম ব্যাপারস্যাপার - ২

এটা পড়ে নানান্‌ লোক বলল, আরো লিখতে। আমার মনটা আসলে এত নরম, যে পারলাম না না লিখে থাকতে। তবে রসদ দরকার - আর আমার স্টক তো আগেরটা লিখেই শেষ।

এই সময়টা আসলে বেশ ইয়ে হয় - পয়লা বৈশাখ, দোসরা মে, পঁচিশে বৈশাখ (এবারে আবার দেড়শো বছর!), সব মিলিয়ে একটা বেশ বাঙালিয়ানার অ্যাড্রিনালিনে ভরপুর সময়।

লোকজন গল্প সাপ্লাই করল কিছু, এদিকসেদিক ঘাঁটলাম খানিক। কিছু গল্প বেরোলো। সেইসবই একত্র করে গুছিয়ে শুরু করি। 

***

রবীন্দ্রনাথকে দিয়েই শুরু করি। একবার শান্তিনিকেতনের একটা নাচের দল নিয়ে কোথাও একটা গেছেন। সদ্য পৌঁছেছেন, উদ্যোক্তারা স্বভাবতই বেশ ব্যতিব্যস্ত, খুশি করার জন্য (মানে, রবীন্দ্রনাথ বলে কথা!)।

একজন হোমরা-চোমরা গোছের কেউ জিজ্ঞেস করলেন, "আপনারা চা খাবেন?"

বিখ্যাত দাড়ির আড়াল থেকে ততোধিক বিখ্যাত হাসি এল: "না, আমরা নাচার দল।"

ভদ্রলোক স্বাভাবিকভাবেই বিব্রত, কিন্তু হার মানার পাত্র নন: "Would you like to have some tea?"

মুচকি হাসি আবার: "না, আমরা no-teaর দল।"

***

পুনশ্চ রবীন্দ্রনাথ। একবার, কোথাও একটা, বেশ ফ্লো এসে গেছে, লিখে চলেছেন ঝড়ের বেগে। আর মাঝেমধ্যে লেখা পছন্দ না হলে ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছেন। মানে, যেভাবে বিভিন্ন ছায়াছবিতে লোকজন বাতিল প্রেমপত্র ফেলে আর কি!

মৈত্রেয়ী দেবী (আহা, "ন হন্যতে"-টা বড্ড ভালো লিখেছিলেন!) সেগুলো কুড়িয়ে একত্র করছিলেন।

কেউ একটা স্বভাবতই বেশ অবাক্‌: "এগুলো তো ওঁর বাতিল লেখা, আপনি এগুলো রেখে দিচ্ছেন কেন?"

ভদ্রমহিলা এমনিতেই সুন্দরী। মধুর হেসে উত্তর দিলেন, "আজ উনি যে লেখাগুলো বাতিল করছেন, পরবর্তী প্রজন্ম সেগুলোর মানে বের করার জন্য মাথার চুল ছিঁড়বে।"

***

এবং আবার, ঘুরেফিরে, রবীন্দ্রনাথেই। এই গল্পটা বিশ্বাস হয় না যদিও, বিদ্যাসাগরের বর্ষায় দামোদর পেরোনোর মত। তবে বলা যায় না, হতেও পারে - আর যদি অতিরঞ্জিত বা একেবারেই মিথ্যেও হয়, গল্প হিসেবে বেশ ভালোই।

রবীন্দ্রনাথ যা যা গল্প ভাবতেন সবই যে লিখতেন তা নয়। কয়েকটা প্লট বাতিলও করতেন। গুণমুগ্ধরা তাঁকে ঘিরে থাকত, আর সেইসব প্লট শোনার সৌভাগ্য হত তাদের। এঁরা সবাই নেহাৎ হেঁজিপেঁজি লোক নন। এঁদেরই একজন একটা গল্প শুনে জিজ্ঞেস করে "আপনার তো এই প্লটটা পছন্দ নয়, এটা নিয়ে আমি গল্প লিখতে পারি?"

রবীন্দ্রনাথ সম্মতি দিলেন।

গল্প লেখা হল। বেশ প্রশংসা হল চারদিকে। এক নামকরা পরিচালক ছায়াছবিও বানিয়ে ফেললেন তাই নিয়ে। বেশ নামডাক হল। সবাই জানল, "দেবী" প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়েরই লেখা।

***

তাঁর কথা এসে পড়লই যখন, তাঁকে নিয়েও দুয়েকটা বলি এবার। লেখ ট্যান্ডনের সিনেমা প্রোফেসর তৈরি হবে, তার শুটিং হওয়ার কথা। ডিরেক্টর অফ ফোটোগ্রাফি স্বয়ং দ্বারকা দিভেচা (যিনি পরে শোলের ডিরেক্টর অফ ফোটোগ্রাফি হয়েছিলেন); তাঁর মনে হল, আলো পর্যাপ্ত নয়, আর বড্ড ঘনঘন মেঘ করছে, সুতরাং কয়েকদিন অপেক্ষা করা যাক্‌।

তো প্রোফেসরের ইউনিট বিশ্রাম নিল, এদিকসেদিক ঘুরল, প্রোডিউসারের টাকায় কেভিনটার্সে খেল (মানে, নিশ্চয়ই খেয়েছিল!), আর অপেক্ষা করল রোদ্দুরের।

সেই কয়েকদিনে সত্যজিৎ কাঞ্চনজঙ্ঘার পুরো শুটিং সেরে বিশপ লেফ্রয় রোডে ফিরে এলেন।

***

ডালটনগঞ্জে শুটিং, জঙ্গলে। খুব সম্ভবতঃ "অরণ্যের দিনরাত্রি"র। পৌঁছে সারাদিনের খাটুনি, তারপর খেয়াল হল, বিজয়া রায় পায়জামা দিতে ভুলে গেছেন, অতএব সত্যজিৎ অসহায়। অনেক রাত, কাজেই জঙ্গলের আশেপাশে কেনার উপায়ও নেই। আর ৬'৫" লোক তো আর ইউনিটে নেই কেউ!

সৌমিত্র এগিয়ে এলেন। বললেন, সঙ্গে একটা লুঙ্গি আছে, বেশ বড়, বুকের কাছে হয়, যদি কাজে আসে...

এদিকে তিনি তো আজীবন পায়জামা পরে ঘুমোতে অভ্যস্ত। শেষ অবধি ট্রাউজার্স পরেই ঘুমোতে গেলেন।

মাঝরাতে সৌমিত্রর দরজায় ধাক্কা। জীবনে বোধহয় প্রথমবারের জন্য অসহায়ের মত আর্তি, "সৌমিত্র, তোমার সেই লুঙ্গিটা আছে?" অতঃপর "এ বস্তু কিভাবে পরতে হয়?"

(নিশ্চিতভাবে হাসি চেপে) সৌমিত্র দেখালেন।

পরেরদিন সকালে সৌমিত্র জিজ্ঞেস করলেন "গুড মর্নিং মানিকদা, রাত্রে ঘুম হয়েছিল?"

সেই বিরল ঘটনা ঘটল তারপর: সত্যজিৎ রায় ঝাঁঝিয়ে উঠলেন "কি করে হবে? লুঙ্গি পরে আজ অবধি কেউ ঘুমোতে পেরেছে?"

***

সিনেমা বানানো যদি ঋত্বিকের একমাত্র নেশা হত তাহলে কোনো সমস্যা হত না। কিন্তু আনুসঙ্গিক নেশা ছিল, বোতলের। তো এক রাত্রে ঋত্বিক ফিরছেন, ঠিক হেঁটে ফেরার অবস্থায় নেই তখন আর। ট্যাক্সি, অগত্যা, পকেটে  পয়সা না থাকা সত্ত্বেও।

"ভাড়া, স্যার..."

"আমার কাছে টাকা নেই। তুমি এক কাজ করো - এখান থেকে সোজা ১/১ বিশপ লেফ্রয় রোডে চলে যাও। সেখানে গিয়ে দেখবে, একটা ঢ্যাঙা লোক দরজা খুলবে। ওকে বোলো, ঋত্বিক ঘটক ট্যাক্সি করে ফিরেছে, সঙ্গে টাকা ছিল না। ও টাকা দিয়ে দেবে।"


সেই দীর্ঘকায় ব্যক্তি, যা শোনা যায়, সেইবার, এবং এরপর বারবার, ভাড়া মিটিয়ে দিয়েছিলেন। ঋত্বিক তাঁকে উত্যক্ত করতেন, কিন্তু মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করতেন, "ভারতবর্ষে সবথেকে ঠিকঠাক ক্যামেরা বসাতে জানে ঐ ঢ্যাঙা লোকটাই।" তারপর অবিশ্যি যোগ করতেন, "আর হ্যাঁ, আমি খানিকটা জানি।" নাহলে আর তিনি ঋত্বিক কি হলেন?


***


রাজেশ খন্না তখন খ্যাতির মধ্যগগনে। সমস্যা হল, ঋত্বিকও তাই। তো, একদা কি করিয়া মিলন হল দোঁহে - মানে, "কি করিয়া" ঠিক নয়, রাজেশ এলেন দেখা করতে। সঙ্গে সিনেমার গল্পের কাগজের তাড়া, আর যেহেতু ঋত্বিক, তাই একাধিক বোতল।


পরেরদিন আবার এলেন রাজেশ, জানতে, গল্প পছন্দ হয়েছে কিনা। যেহেতু ঋত্বিক, রাজেশ খন্নাকে চমৎকৃত হতে হল। দেখলেন, তাঁরই দেওয়া বোতল কোনোভাবেই খুলতে না পেরে গল্পের কাগজ ছিঁড়ে বোতলে জড়িয়ে বিস্তর টানাহ্যাঁচড়া করেছেন, অতএব ঘরময় ছেঁড়া কাগজের টুকরো।


সিনেমার কি গতি হল, বলাই বাহুল্য।



***


শিবরাম চক্রবর্তীকে একবার কেউ একটা (খুব সম্ভবতঃ সেই আগের ব্লগ আর্টিক্লের সাংবাদিকই) জিজ্ঞেস করেছিলেন "আপনি কখন লেখেন? সময় বের করেন কিভাবে?"
"সময়? সময় তো বের করে নিতে হয়।"
"কির'ম, শুনি? কি করেন আপনি সারাদিন?"
"এই ধরুন, সকালে ঘুম থেকে উঠি। তারপর খাই।"
"তারপর?"
"তারপর আবার ঘুমোই।"
"মানে, খেয়ে উঠে আবার?"
"বাঃ, খেয়ে উঠলে ঘুম পাবে না?"
অকাট্য যুক্তি।
"বেশ, তারপর?"
"তারপর আবার ঘুম থেকে উঠি। আবার খাই।"
"তারপর?"
"তারপর আবার ঘুমোই!"
সাংবাদিকও নাছোড়বান্দা: "তারপর?"
"এইভাবে একসময় সন্ধ্যে হয়ে যায়। সন্ধ্যেবেলা আবার ঘুম থেকে উঠি। তারপর আবার খাই।"
"তারপর?"
"তারপর তো রাত। ব্যাচেলার মানুষ, রাতে আর কি করব? রাতে ঘুমিয়ে পড়ি ।
ভদ্রলোক হতভম্ব। "সেকি, তাহলে লেখেন কখন?"
"কেন? পরের দিন?"
***

"দূর গগন কি ছাঁও মে" বানানোর সময় কিশোরকুমারের বেশ অর্থনৈতিক টালমাটাল অবস্থা ছিল। অনেক ডিস্ট্রিবিউটার নিতে চাননি, আর প্রথম সপ্তাহে হল ফাঁকা থাকায় কিশোর বেশ মুষড়ে পড়েন।

আস্তে আস্তে লোকের মুখে ছড়াতে থাকে, আর ক্রমশঃ হিট হতে থাকে। ক্রমশঃ নানান্‌ হলে চলতে শুরু করে। কিশোরকুমারও আবার আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেন। তারপর, চব্বিশ সপ্তাহ চলার পর, কিশোরকুমার হঠাৎ নির্দেশ পাঠান, সিনেমা তুলে নিতে, সমস্ত হল থেকে।

ডিস্ট্রিবিউটাররা হতবাক্‌। অবশ্যই মারাত্মক হিট নয়, কিন্তু তাও তো চলছে, এই সময় কেউ সিনেমা তুলে নেয়?

কিন্তু কিশোরের যুক্তি অকাট্য: "এত কষ্ট করে কয়েক সপ্তাহ চালিয়ে কিছু টাকা এল, সিলভার জুবিলি করিয়ে খরচ করব নাকি? একে তো পাবলিসিটির খরচ, তায় পার্টি দেওয়া, রাজ্যের লোককে খাওয়ানো..."

***

তখন বাংলা ছায়াছবির স্বর্ণযুগ। আজ ২০১১তেই উত্তমকুমার-সৌমিত্রর ভক্তদের বাক্‌যুদ্ধ যের'ম পর্যায়ে পৌঁছয়, তখন কি পরিমাণে হত ভাবতেই পারিনা। ওঁদের সম্পর্ক অবিশ্যি আদায়-কাঁচকলায় ছিল না মোটেই। হয়ত একটা পেশাদারি ঠাণ্ডা লড়াই ছিল, কিন্তু সেটা বোধহয় স্বাভাবিক।

কেমন ছিল ওঁদের সম্পর্ক? একবার পার্ক স্ট্রিটে কোথাও একটা খেতে গেছেন দুজনে মিলে। অনেক রাত, আর দুজনেরই বেশ নেশা হয়েছে। উত্তমকুমারের ড্রাইভার থাকলেও সৌমিত্র নিজেই গাড়ি চালান।

চলল গাড়ি। আগে সৌমিত্রর গাড়ি, পেছনে উত্তমকুমারের। ময়রা স্ট্রিট ছাড়াল একসময়। সৌমিত্র আয়নায় দেখলেন, তাও উত্তমকুমারের গাড়ি পেছনে চলেছে। হয়ত অন্য কোথাও যাওয়ার আছে, ভাবলেন সৌমিত্র।

গলফগ্রীনে নিজের বাড়ি পৌঁছলেন একসময়। তখনও উত্তম পেছনে। গাড়ি পার্ক হল, সৌমিত্র ঠিকঠাক নেমে বাড়িতে ঢুকলেন: তবে নিশ্চিন্ত উত্তমের গাড়ি আবার ময়রা স্ট্রিটের উদ্দেশ্যে রওনা হল।

গ্রেটদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বোধহয় এইর'মই হয়।

***

একদম শেষে একটা তুমুল মনকষাকষির গল্প দিয়ে শেষ করি। মানে, যাকে বলে রাজায়-রাজায়।

এক রসায়নবিদ্‌কে নিয়ে এই গল্প। পড়াশোনায় ভালো, কিন্তু সঙ্গে একটা অদম্য নেশা, সাহিত্যের। সাহস করে একটা বই লিখেও ফেললেন। সেখানেই শেষ নয়, বইটা সাংঘাতিক জনপ্রিয়ও হল - এমনকি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

ছেলেটির অধ্যাপক গেলেন ঘাবড়ে - এত ভালো ছেলেটা, তার ওপর বয়সও চল্লিশ ছাড়িয়েছে। এই বয়সে বিজ্ঞানচর্চা ছেড়ে বই লিখতে বসল?

প্রফুল্লচন্দ্র বেশ গুছিয়ে চিঠি লিখলেন রবীন্দ্রনাথকে। যার প্রথম লাইনই "শেষ বয়সে আপনাকে লইয়া বড়ই মুস্কিলে পড়িলাম।"
অতঃপর "যখন দেখি সাহিত্যসম্রাট্‌ স্বয়ং তাহার সমালোচনায় প্রবৃত্ত হইয়াছেন, তখন অচিরে পর পর বারো হাজার কপি যে বিক্রয় হইবে তদ্বিষয়ে সন্দেহ নাই। সেদিন গ্রন্থকারকে আমি বলিলাম, এ-প্রকার সৌভাগ্য কদাচিৎ কোনো লেখকের ঘটিয়া থাকে। এখন তাহার মাথা না বিগড়াইয়া যায়। তিনি আমারই হাতের তৈয়ারী একজন রাসায়নিক এবং আমার নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ কার্যে অনেকদিন যাবৎ ব্যাপৃত। কিন্তু এখন তিনি বুঝিলেন যে তিনি সাহিত্যক্ষেত্রেও একজন কেষ্ট-বিষ্টু। সুতরাং আমাকে অসহায় রাখিয়া ত্যাগ করিতে ইচ্ছুক হইতেও পারেন।"

তারপর সনির্বন্ধ অনুরোধ, কড়া সমালোচনা করতে, যাতে রসায়নের ছাত্রের মাথা থেকে সাহিত্যের ভূত নামে, আর তিনি পুরোনো পেশায় ফিরে আসেন।

রবীন্দ্রনাথ পড়লেন। তারপর লিখলেন,
"হিসাব করে দেখবেন কত ছেলে যারা আজ পেটমোটা মাসিকপত্রে ছোটগল্প আর মিলহারা ভাঙা ছন্দের কবিতায় সাহিত্যলোকে একেবারে কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ড বাধিয়ে দিতে পারত, এমন কি লেখাদায়গ্রস্ত সম্পাদকমণ্ডলীর আশীর্বাদে যারা দীপ্তশিখা সমালোচনায় লঙ্কাকাণ্ড পর্যন্ত বড় বড় লাফে ঘটিয়ে তুলত, তাদের আপনি কাউকে বিএসসি, কাউকে ডিএসসি পার করে ল্যাবরেটরির নির্জন নিঃশব্দ সাধনায় সন্ন্যাসী করে তুললেন। সাহিত্যের তরফ থেকে আমি যদি তার প্রতিশোধ নিতে চেষ্টা করে থাকি কতটুকুই বা কৃতকার্য হয়েছি।"
"আমার কথা যদি বলেন - আপনার চিঠি পড়ে আমি অনুতপ্ত হইনি: বরঞ্চ মনের মধ্যে একটু গুমর হয়েচে। এমন কি, ভাবচি স্বামী শ্রদ্ধানন্দের মতো শুদ্ধির কাজে লাগব, যে সব জন্মসাহিত্যিক গোলেমালে ল্যাবরেটরির মধ্যে ঢুকে পড়ে জাত খুইয়ে বৈজ্ঞানিকের হাটে হারিয়ে গিয়েছেন তাঁদের ফের একবার জাতে তুলব। আমার এক একবার সন্দেহ হয় আপনিও বা সেই দলের একজন হবেন, কিন্তু আপনার আর বোধ হয় উদ্ধার নেই। যাই হোক আমি রস যাচাইয়ের নিকষে আঁচড় দিয়ে দেখলাম আপনার বেঙ্গল কেমিক্যালের এই মানুষটি একেবারেই কেমিক্যাল গোল্ড নন, ইনি খাঁটি খনিজ সোনা।"

"এ অঞ্চলে যদি আসতে সাহস করেন তাহলে মোকাবিলায় আপনার সঙ্গে ঝগড়াঝাঁটি করা যাবে।"
রবীন্দ্রনাথেরই জিত হয়। রাজশেখর বসু গড্ডলিকার পর আরও অজস্র বই লেখেন, তার সঙ্গে বাংলা ভাষার সবথেকে বেশি প্রকাশিত অভিধান আর মহাভারতের সম্ভবতঃ সবথেকে জনপ্রিয় বাংলা অনুবাদ।

10 comments:

  1. ঘ্যাম লোকেদের ঘ্যাম ব্যাপারস্যাপার নিয়ে আবার একটা ঘ্যাম post, যেটা পড়ে স্বাভাবিকভাবেই ঘ্যাম লাগল । REACTIONS: এও ghyam এই click করলাম ।
    এ'রকম আরও সংগ্রহ কর আর ৩, ৪, ..., N পর্যন্ত চালিয়ে যাও !

    ReplyDelete
  2. Durdantyo....baakrudhyo...
    raat 1.30 ta e mosha-r kamor khete khete-o na pore thhakte paarlaam na...

    ReplyDelete
  3. moche machi khabo??
    bhalo bhalo
    tetekhe

    ReplyDelete
  4. ovi khabe aalo bhaja!
    *clap clap*

    ReplyDelete
  5. Parashuram er byapar ta kichhu ta bodh hoi rachanasamagra er blarb e achhey, tai na. Mone hochchhe porechhi, ar agei andaz korchhilam. Baki gulo unique jodio, age na shona.

    ReplyDelete
  6. Ghaym lokeder baparsapar je ghaym hoy seta ei blog pore bujhte parlam......er sequel asha korchhi...contemporary ghaym lokeder niye....

    ReplyDelete
  7. ghaym hoyeche.

    ReplyDelete
  8. This comment has been removed by the author.

    ReplyDelete
  9. Ghyam Lokeder Ghyam Baparsapar-2, AMI r amar BOU aksathe porlam.....kakhon je TOMAR lekhata pora shes hoyeche bujhte parine....... :) mane amra DUJONE-e Lokjonder comment ta TOMAR lekha bhebe porte suru korechilam............ :)

    ReplyDelete

Followers